রমযান মাস হচ্ছে তাক্বওয়া অর্জনের মাস ধৈর্য্য ধারণের মাস আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের ম

রমযান মাস হচ্ছে তাক্বওয়া অর্জনের মাস, ধৈর্য্য ধারণের মাস, আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাস। আর আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য এক নাম্বার শর্ত হচ্ছে সমস্ত পাপাচার, অন্যায় ও অত্যাচার থেকে তোওবা করা। আসুন এই রমযানে আমরা আমাদের প্রকাশ্য ও গোপন সমস্ত আমলগুলো সংশোধন করে পরকালে সুখের ঠিকানা অর্জনের জন্য তোওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসি। রমযান উপলক্ষ্যে আজকে আমাদের বিশেষ পোস্টঃ
______________________________________
তওবা কিভাবে করতে হবে?
তওবা শব্দের অর্থ হচ্ছে প্রত্যাবর্তন করা, ফিরে আসা। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে গুনাহ থেকে ফিরে আসা। তওবা কবুল হওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে, তাহলেই আল্লাহ তাআ’লা সেই তওবা কবুল করবেন। শর্তগুলো হচ্ছেঃ
(১) পাপ কাজ করা বন্ধ করতে হবে। এখন শুধু মুখে মুখে তওবা করে নেই, কয়েকদিন পর থেকে পাপ কাজটা ছেড়ে দেব, এরকম খারাপ নিয়ত থাকলে তওবা কবুল হবেনা।
(২) অতীতের সমস্ত পাপকাজ ও ভুল-ত্রুটি আল্লাহর কাছে স্বীকার করে তাঁর কাছে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে।
(৩) অন্তরে খারাপ কাজের প্রতি ঘৃণা রেখে সেইগুলোতে আবার ফিরে না যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে হবে।
(৪) লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে সমস্ত গুনাহ-খাতার জন্য ‘ইস্তিগফার’ করতে হবে অর্থাৎ ক্ষমা চাইতে হবে + তওবা করতে হবে। তওবা অর্থ হচ্ছে গুনাহ করা বন্ধ করে আল্লাহর আনুগত্যের দিকে ফিরে আসতে হবে।
(৫) কারো হক্ক নষ্ট করে থাকলে, যেভাবেই হোক তাকে তার পাওনা ফিরিয়ে দিতে হবে। সামর্থ্য না থাকলে অনুরোধ করে, ক্ষমা চেয়ে তার কাছ থেকে মাফ করিয়ে নিতে হবে। উল্লেখ্য, তওবা করলে আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন, এমনকি কারো পাপ জমীন থেকে আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে গেলেও সে যে যদি আন্তরিক তওবা করে তাহলে আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন। কিন্তু বান্দার কোনো হক্ক নষ্ট করলে, বান্দা সেটা মাফ না করলে আল্লাহও ক্ষমা করবেন না।
(৬) অন্তরে আশা রাখতে হবে যে, আমি গুনাহগার কিন্তু আল্লাহ গাফুরুর রাহীম, অতীব ক্ষমাশীল ও দয়ালু। সুতরাং ,আমি যতবড় গুনাহগার হয়ে থাকিনা কেনো, তিনি আমার তওবা কবুল করবেন ইনশা’আল্লাহ। অন্তরে আল্লাহর প্রতি এই আশা ও ভালো ধারণা রাখতে হবে।
(৭) তওবা করার পর প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে পাপ কাজ থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকার জন্য, এবং সাধ্য অনুযায়ী বেশি করে নেকীর কাজ করার জন্য। কারণ, নেকীর কাজ দ্বারা পাপ কাজ মোচন হয়।
(৮) যে পাপ কাজ থেকে তওবা করা হলো, (সমস্ত পাপ কাজ থেকেই তওবা করা ফরয), কোনো ভুলে বা কুপ্রবৃত্তির কারণে সেই পাপ আবার করে ফেললে সাথে সাথে পুনরায় আন্তরিক তওবা করে সেটা থেকে বিরত থাকতে হবে। এইভাবে যখনই কোনো পাপ কাজ সংঘটিত হবে, সাথে সাথেই তওবা করতে হবে, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত।
হাসান আল-বাসরী রাহি’মাহুল্লাহক
ে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, “বান্দার কি লজ্জা পাওয়া উচিত না যে, পাপ করার পর সে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করে। তারপর আবার পাপ করে এবং আবারো অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করে?” হাসান আল-বাসরী রাহিমাহুল্লাহ বললেন, “শয়তান তো ঠিক এটাই চায়, কখনো অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা থামিয়ে দিয়ো না।” জামিউ’ল উলুমঃ ২০৫।
(৯) কারো তওবা কবুল হয়েছে কিনা এটা কিভাবে বুঝবেন? এ সম্পর্কে অনেক আলেম বলেছেন, কারো যদি তওবা করার পরের জীবন পূর্বের পাপের জীবনের চাইতে ভালো হয় অর্থাৎ, পাপকাজ অনেক কমে যায় ও ভালো কাজের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তাহলে আশা করা যেতে পারে, তার তওবা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়েছে। কিন্তু কারো যদি এমন না হয় অর্থাৎ, তওবার পূর্বের ও পরের জীবনের মাঝে কোনো পার্থক্য না থাকে, তাহলে বুঝতে হবে তার তওবাতে ত্রুটি রয়েছে। তার উচিত হতাশ না হয়ে বার বার আন্তরিকতার সাথে খালেস নিয়তে তওবা করা, এবং এই ব্যপারে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া।
একজন আ’লেম (জ্ঞানী ব্যক্তিকে) প্রশ্ন করা হয়েছিলো, “বান্দা যখন তওবা করে, সে কি বুঝতে পারে যে, তার তাওবা কবুল হয়েছে কিনা?” তিনি বললেন, “এ সম্পর্কে আমি তোমাকে কোন মীমাংসা দেবোনা, কিন্তু এর কয়েকটি আলামত আছে। যার তওবা কবুল হয়েছে বলে আশা করা যায়ঃ (ক) সে নিজেকে পাপমুক্ত বলে মনে করবেনা, (খ) তার অন্তর থেকে আনন্দ উঠে যাবে এবং সে (নিজেকে নিয়ে) চিন্তিত হবে, (গ) সে সৎ ব্যক্তিদের নিকটবর্তী হবে এবং অসৎ ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকবে, (ঘ) সে দুনিয়ার অল্প জিনিসকে বেশি মনে করবে এবং পরকালের অনেক আমলকে অল্প মনে করবে, (ঙ) আল্লাহ তাকে যে বিষয়ের জিম্মাদারী দিয়েছেন, সেইগুলোতে সে সর্বদা মত্ত থাকবে এবং আল্লাহ যেই বিষয়ের জামিন হয়েছেন, সেই বিষয়ে সে নির্লিপ্ত থাকবে, (চ) সে নিজের জবানকে হেফাজত করবে ও সর্বদা চিন্তা-ভাবনা করবে। আর গভীরভাবে দুঃখ ও অনুশোচনা করবে।”
উৎসঃ ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী রাহি’মাহুল্লাহর সংকলিত “আল-ইসতিদাদ লি-ইয়াওমিল মাআদ” (পরকালের পাথেয়)।
(১০) আন্তরিক তওবা যদি আল্লাহর কাছে কবুল হয়, তাহলে বান্দার পূর্বের সমস্ত গুনাহ আল্লাহ তাআ’লা মাফ করে দেন। এমনকি যেই গুনাহগুলো মাফ করে দেন, কেউ যদি সেগুলো থেকে ফিরে আসে, এইগুলোর বিপরীতে আল্লাহ তাকে সওয়াব দান করেন। যেমনটা আল্লাহ কুরআনুল কারীমে উল্লেখ করেছেন, “কিন্তু যারা তওবা করে ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গোনাহ সমূহকে পুণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” সুরা আল-ফুরক্বানঃ ৭০।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আন্তরিক তওবা করার তওফিক দান করুন, আমিন।
______________________________________
তওবার জন্যে কি দুয়া পড়তে হবে?
আমাদের দেশের মানুষকে ‘তওবার দোয়া’ নামে যে দুয়াটা শেখানো হয় তা হচ্ছে, “আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বি মিং কুল্লি যামবিও-ওয়া আতুবু ইলাইহি, লা হা’উলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলায়্যিল আযীম।”
এটা একটা দোয়া, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কুরআন ও হাদীসের কোথাও এই দোয়াটা খুঁজে পাওয়া যায় না! তার মানে এই দোয়া হচ্ছে হুজুরের বানানো দোয়া, অর্থাৎ man made! অনেকে যুক্তি দেখাতে পারেন, দোয়াতো দোয়াই, আল্লাহর কাছে একভাবে চাইলেই হবে। তাদেরকে বলবোঃ
(১) নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে যেই দোয়া শিখিয়ে গেছেন, তা না শিখিয়ে হুজুরের বানানো দোওয়া কেনো শেখানো হবে? হুজুর কি নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের থেকে ভালো দোয়া বানাতে পারে (নাউযুবিল্লাহ)!
(২) হুজুরের বানানো দোয়া পড়লে কতটুকু নেকী পাওয়া যাবে? হুজুরের বানানো দোয়া আল্লাহ তাআ’লা কবুল করবেন, এমন কোন গ্যারান্টি আছে? উত্তর হচ্ছেঃ না, নাই। আসলে এইগুলো একটা ষড়যন্ত্র, মানুষকে কুরআন ও হাদীস ছেড়ে হুজুরের বানানো ইসলাম শেখানোর জন্য। যেই দোয়া পড়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম তওবা করতেন ও আমাদেরকে পড়তে বলছেনঃ
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟْﻌَﻈﻴﻢَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻲُّ ﺍﻟﻘَﻴّﻮُﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴﻪِ
উচ্চারণঃ আসতাগফিরুল্লা-হাল আ’যীমাল্লাযী লা-ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়ুল ক্বাইয়ূম, ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য আর কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। আমি তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তন করছি।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়বে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন, এমনকি যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলাতক আসামী হয়।” হিসনুল মুসলিম পৃষ্ঠা ২৮৬, তিরমিযীঃ ৪/৬৯, আবু দাউদঃ ২/৮৫, হাদীসটি সহীহ, সিলসিলা সহীহাহঃ ২৭২৭।
হাদীসে অর্থ হচ্ছে, সে যদি বড় রকমের গুনাহগার হয় আর এই দুয়া পড়ে তওবা করে, তবুও আল্লাহ তাআ’লা তাকে ক্ষমা করে দেবেন।
হুজুরের বানানো দুয়ার চাইতে রাসুলুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের শিখানো দুয়া বেশি দামী। সুতরাং সুন্নাতী দুয়া শিখতে আমাদের অলসতা করা ঠিক না। তওবার মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়, তাই এই দুয়াটা অবশ্যই মুখস্থ করবেন এবং নিয়মিত উঠতে বসতে, যখনই মনে পড়বে, বেশি বেশি করে এই দুয়া পড়ে আল্লাহর কাছে মাফ চাইবেন ইনশাআল্লাহ।
উল্লেখ্যঃ এই দুয়াটা আসতাগফিরুল্লা-হাল আ’যীমাল্লাযী...এবং আসতাগফিরুল্লা-হালাল্লাযী...এই দুইভাবেই হাদীসে আছে। দুটোই সহীহ হাদীস, যার যেটা ভালো লাগে পড়বেন।
_ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও
8 likes - 0 comments

More feeds from ইসলাম আমার হৃদয় ছুঁয়ে

বইঃ আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস, হাদিস নম্বরঃ ৬
====================
আবূ আব্দিল্লাহ্ আন্-নু‘মান ইবনু বশীর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ
'নিঃসন্দেহে হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট, আর এ দু‘য়ের মধ্যে কিছু সন্দেহজনক বিষয় আছে যা অনেকে জানে না। অতএব, যে ব্যক্তি সন্দিহান বিষয় হতে নিজেকে রক্ষা করেছে; সে নিজের দ্বীনকে... View more »
বইঃ আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস, হাদিস নম্বরঃ ৩৬
===================
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত। নাবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
"যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন মুমিনের দুঃখ দূর করে দেয়, আল্লাহ্ কেয়ামতের দিন তার দুঃখ দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির বিপদ দূর করে দেয়, আল্লাহ্ দুনিয়াতে ও আখেরাতে তার বিপদ দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন... View more »
যে সমস্ত শর্ত ব্যতীত ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ) পাঠ করাতে কোন লাভ নেই সেগুলো কি কি?
====================
"লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ" এর শর্ত হচ্ছে সাতটিঃ
(১) এই কালেমার অর্থ অবগত হওয়া। এর অর্থ হলো- এক আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন সত্য উপাস্য নেই। এখানে দুটি দিক রয়েছেঃ একটি নেতিবাচক অপরটি ইতিবাচক। নেতিবাচক দিকটি হলো (لا إله) (নেই কোন মা’বুদ)। এই বাক্যের মাধ্যমে আল্লাহ ব্যতীত যত... View more »
শিরক ও কুফর থেকে বাঁচতে
দৈনিক ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায়
করুন
==================
জাবির (রযিঃ) বলেন যে, আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি,
"বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সলাত ছেড়ে দেয়া।"
(সহিহ মুসলিম : ১৪৮)
----------------------------------
#শিরক সবচেয়ে বড় গুনাহ । সুতরাং সলাত/নামায পড়তেই হবে ! নতুবা শিরকের কারণে #আখিরাত হতে পারে বিভীষিকাময় !
#কুরআন_থেকে
.
৪// অতএব দুর্ভোগ সেসব মুসল্লির,
৫// যারা তাদের সলাতের ব্যাপারে উদাসীন
(সূরাহ মাউন : ৪,৫)
#লজ্জাশীলতা
.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"ঈমানের ষাটেরও অধিক শাখা আছে। আর লজ্জা হচ্ছে ঈমানের একটি শাখা।"
.
(সহিহ বুখারি : ৯)
:
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোকটি তার ভাইকে লজ্জা সম্পর্কে ভৎর্সনা করছিল এবং বলছিল যে, তুমি অধিক লজ্জা করছো, এমনকি সে... View more »
#কুরআন_থেকে
~~~~~~~~~~~~~
৩২/ "সমুদ্রে চলমান পর্বতসম জাহাজসমূহ তাঁর অন্যতম নিদর্শন।
৩৩/ তিনি ইচ্ছা করলে বাতাসকে থামিয়ে দিতে পারেন। তখন জাহাজসমূহ সমুদ্রপৃষ্ঠে নিশ্চল হয়ে পড়বে। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল, কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শন রয়েছে"
(সূরাহ আশ-শূরা : ৩২,৩৩)
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীসের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং তার বিরুদ্ধবাদীর প্রতি কঠোর মনোভাব পোষণ
____________________
আল-মিক্বদাম ইবনু মাদীকারিব আল-কিনদী হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
"অচিরেই কোন ব্যাক্তি তার আসনে হেলান দেয়া অবস্থায় বসে থাকবে এবং তার সামনে আমার হাদীস থেকে বর্ণনা করা হবে, তখন সে বলবে, আমাদের ও তোমাদের মাঝে মহামহিম আল্লাহর... View more »